Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

হাত-পায়ের নখে সুই ঢুকিয়ে কিশোরকে নির্যাতন, আরেক আসামি গ্রেফতার

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:০১ এএম

হাত-পায়ের নখে সুই ঢুকিয়ে কিশোরকে নির্যাতন, আরেক আসামি গ্রেফতার

বিজ্ঞাপন

তাহিরপুরে নূপুর চুরির অপবাদে তুলে নিয়ে দোকানঘরে বেঁধে রেখে শারীরিক নির্যাতনের মামলায় তরিকুল ইসলাম নামে আরও এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেফতারকৃত আসামিকে সোপর্দ করা হলে আদালতের বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেন।

গ্রেফতার তরিকুল উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের লাউড়গড়ের আমির উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর আমির উদ্দিনকে গ্রেফতারের পর আদালত তাকেও জেলহাজতে পাঠান।

উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে লাউড়গড়ের আমির উদ্দিনের শিশুকন্যার এক পায়ের রূপার তৈরি নূপুর খোয়া যায়। এরই জেরে গত বছর ২৯ ডিসেম্বর, সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার সীমান্ত বাজার লাউড়গড়ের মৃত আহামদ আলীর ছেলে আমিরের নেতৃত্বে পুরান লাউড়গড়ের মৃত আব্দুল কুদ্দুছের কিশোর ছেলে হাফিজ উদ্দিনকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি দোকানের ভেতর বেঁধে রেখে নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করে আমির, তার দুই ছেলে ও এলাকার লোকজন।

সুত্র জানায়, কিশোর হাফিজ জাদুকাটা নদীতে পাথর, কয়লা ও লাকড়ি কুড়ানোর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসামিদের এলাকার ওপর দিয়ে যাতায়াত করত। নির্যাতনকারীরা কিশোর হাফিজের হাত ও পায়ের নখের ভেতর, শরীরের বিভিন্ন অংশে সুই ঢুকিয়ে, প্লাস দিয়ে চেপে চেপে, দফায় দফায় মারধর করতে থাকে। এতে দুবার জ্ঞান হারায় হাফিজ। এরপরও দুর্বৃত্তরা শরীরের ক্ষতস্থানে ফ্রিজে থাকা ঠান্ডা পানি ফেলে নূপুর চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা অব্যাহত রাখে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নির্যাতিত কিশোরের চাচা আব্দুর রহমান নির্যাতনকারী লাউড়গড় সীমান্ত গ্রামের আমির উদ্দিন, সফিকুল, তরিকুল, হেলাল উদ্দিনের ছেলে রাকিবসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের নামে থানায় মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ আমিরকে গ্রেফতার করে।

শুক্রবার সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন বলেন, পিতৃহীন কিশোরকে নির্যাতনের মামলায় পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার