Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

নববধূকে নিয়ে ঘরে ফেরা হলো না, বর-কনেসহ নিহত ১৪

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:০৭ পিএম

নববধূকে নিয়ে ঘরে ফেরা হলো না, বর-কনেসহ নিহত ১৪

বিজ্ঞাপন

বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর একটি বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বরের পরিবারের ১০ জন, কনের পরিবারের তিনজন এবং মাইক্রোবাসের চালক রয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা এলাকায় দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে নববধূকে নিয়ে বরযাত্রীদের একটি মাইক্রোবাস মোংলার শেলাবুনিয়া এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। গাড়িটিতে বর-কনে, পরিবারের সদস্য ও চালকসহ মোট ১৫ জন ছিলেন। পথে রামপালের বেলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা নৌবাহিনীর যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের ফলে মাইক্রোবাসটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই কয়েকজন মারা যান। পরে আহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়।

কাটাখালী হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট তারেক আহমেদ রুদ্র জানান, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন বর সাব্বির, তার মা, এক ভাই, দুই ভাবি, তিন ভাগিনা-ভাগনে ও দাদি। এছাড়া নববধূ মার্জিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া, নানি এবং মাইক্রোবাসের চালকও মারা গেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় বেলাই ব্রিজ এলাকায় একাধিক যানবাহন চলাচল করছিল। মাইক্রোবাসটি ব্রিজ পার হওয়ার সময় ট্রাক ও একটি বাসের মাঝ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নৌবাহিনীর বাসটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল বলেন, নিহত চারজনের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। বাকিদের মরদেহ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মেহেনাজ মোশাররফ জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নারী ও শিশুসহ ১০ জনের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের বহু সদস্যের মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার