বিজ্ঞাপন
প্রেমের টানে আসা চীনা যুবককে বিয়ে, কেমন আছেন সেই রুমা
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
বিজ্ঞাপন
প্রেমের টানে চীন থেকে রাজবাড়ীতে আসেন যুবক ঝং কেজুন। তিনি নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেন প্রেমিকা রুমা খাতুনকে। বিয়ের কিছুদিন পর আবার নিজ দেশে ফিরে যান চীনা যুবক ঝং কেজুন।
এদিকে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে প্রেমিকা রুমাকে বর্তমানে প্রতি মাসে হাত খরচ বাবদ দিচ্ছেন দুই হাজার টাকা।
সরেজমিন সোমবার সকালে রাজবাড়ীর বিনোদপুর ৯নং ওয়ার্ডে চীনা যুবকের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে কথা হয় রুমা খাতুনের বাবা বাবু খানের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমি এ বিয়েতে রাজি ছিলাম না। পরে জামাইদের ও পরিবারের লোকদের ওপর ছেড়ে দেই। মেয়ে রাজি থাকায় বিয়ে হয়েছে। বর্তমানে সে আমার মেয়েকে হাত খরচ বাবদ প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা দেয় বলে ওর মায়ের কাছ থেকে শুনেছি। আমি এসব বিয়ে নিয়ে তেমন খোঁজখবর নেই না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রুমার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এক বছর আগে চীনের জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম লিটল রেড বুকে রাজবাড়ীর তরুণী মোছা. রুমা খাতুনের (২১) সঙ্গে পরিচয় হয় চীনের নাগরিক ঝং কেজুনের (৪৬)। পরে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কে নতুন মাত্রা দিতে চীন থেকে বাংলাদেশে আসেন ঝং কেজুন। রাজবাড়ীতে এসেই পরিবারের সবাইকে রাজি করে বিয়ে করেছেন। গত ২ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ী নোটারি পাবলিকের কার্যালয় থেকে বিয়ে করে রুমা খাতুনের বাড়িতে অবস্থান করেন ঝং কেজুন।
রাজবাড়ী নোটারি পাবলিক সূত্রে জানা যায়, চীনের গুয়াংসি প্রদেশের লিউঝো শহরের বাসিন্দা ঝং কেজুন। পেশায় তিনি চাকরিজীবী। গত ২ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ী নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করে রাজবাড়ী পৌরসভার বিনোদপুর গ্রামের অটোচালক বাবু খানের মেয়ে মোছা. রুমা খাতুনকে। পরে মসজিদের ইমামের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয় তাদের।
রুমা খাতুনের মা আমেনা বেগম বলেন, চীনের যুবক এসে আমার মেয়েকে কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে করার পর কিছুদিন আমাদের বাড়িতে থাকে। পরে তিনি চীনে চলে যান। গত শবেবরাতের দুই সপ্তাহ আগে আবার এসে আমাদের বাড়িতে সপ্তাহখানেক থেকে আবার চীনে চলে যান। রুমাকে প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা দিচ্ছেন।
চীনা যুবকের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর দিনকাল কেমন কাটছে- এমন প্রশ্নের জবাবে রুমা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে আমি এখন কিছু বলব না।ৎ
উল্লেখ্য, এক বছর আগে লিটল রেড বুকে ঝং কেজুনের সঙ্গে পরিচয় হয় রুমার। পরিচয়ের পর তার সঙ্গে চেনাজানা ও বিয়ের জন্য দুজন রাজি হন। পরে ঝং কেজুন রুমাদের বাড়িতে আসার পর পরিবার রাজি না হওয়ায় ফরিদপুরে চলে যান। পরে সবাই রাজি হলে তিনি আবার ২ সেপ্টেম্বর আসেন। পরে কোর্টে বিয়ে করেন দুজন।
বিজ্ঞাপন