বিজ্ঞাপন
সিরাজদিখানে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে শ্লীলতাহানির অভিযোগ
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
বিজ্ঞাপন
মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে আহত করে নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের শুলপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের শুলপুর গ্রামের মৃত আগস্টিন রোজারিওর ছেলে সুজিত জন রোজারিও (৪১) ও তার স্ত্রী শ্রাবনী তেরেজা বিশ্বাস (৪০), বড় মেয়ে সাইনি শিশিরিয়া রোজারিও (১৪), সেন্ড্রি আগস্টিন রোজারিও (১০)।
আহত সুজিত জন রোজারিও বলেন, আমাদের জায়গা বিক্রি করেছে আমার বড় বোন। আমাদের এজমালি বাড়ির জায়গার কোনো মাপজোখ হয়নি। এক সপ্তাহ আগে জোর করে তারা বাড়ির অনেক গাছ কেটে ফেলেছে। মাত্র দেড় শতাংশ জায়গা কিনে মাইকেল গমেজ আমাদের সম্পূর্ণ বাড়ি জোরপূর্বক দখল করতে চায়। তারা আমাদের বাড়ির অনেক গাছ কেটে নিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, রোববার বিকালে আমাদের পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে এজমালি বাড়ি মাপজোখ করে বিক্রি করা জায়গা বুঝিয়ে দেওয়ার কথাবার্তা আলোচনা করার সময় মাইকেল গমেজ এসে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে লোহার রড, কাঠের ডাসা দিয়ে পিটিয়ে আমার বাম হাত ফাটিয়ে ফেলেছে।
সুজিত জন রোজারিও বলেন, আমার স্ত্রী শ্রাবনী তেরেজা বিশ্বাস আমাকে বাঁচাতে গেলে তাকে নাক-মুখ ফাটিয়ে কাপড় খুলে মারধর করে গুরুতর আহত করে শ্লীলতাহানি করে। এ সময় আমার বড় মেয়ে আমাকে বাঁচাতে এলে তাকে রাম দা দিয়ে তাড়া করে কোপানোর জন্য। আমার ছোট ছেলেকে মাথায় কিল-ঘুসি দিয়ে মারধর করে। আমার হাত ভেঙে ফেলার কারণে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আর তাদের রক্ষা করতে পারি নাই। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা ও স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন।
তিনি বলেন, আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে তারা আমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে রেফার্ড করেন। আমি সোমবার সকালে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সিরাজদিখান থানার ওসি আব্দুল হান্নান জানান, এ ঘটনায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন