Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

নীতিবাক্য বলা বিএনপি নেতার পাম্পেই গায়েব ৫০ হাজার লিটার তেল

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম

নীতিবাক্য বলা বিএনপি নেতার পাম্পেই গায়েব ৫০ হাজার লিটার তেল

বিজ্ঞাপন

জ্বালানি তেল নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে সহ্য করা হবে না—এমন কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা বিএনপি নেতা হাফেজ মো. আজিজুল হক। গত ৪ এপ্রিল জেলা প্রশাসন আয়োজিত সভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তবে সভার মাত্র ৩ দিনের ব্যবধানে জ্বালানি তেল নিয়ে নিজেই করলেন অনিয়ম। নিজ ফিলিং স্টেশন থেকে ৫০ হাজার লিটার পেট্রল গায়েব করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলে সমালোচনা চলছে।

হাফেজ মো. আজিজুল হক গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে মো. আজিজুল হকের ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালত জ্বালানি তেল নিয়ে আসার কাগজপত্র ঘেঁটে দেখতে পান ১, ২ ও ৪ এপ্রিল ভৈরব বাজার ডিপো কিশোরগঞ্জ থেকে ১৩ হাজার ৫০০ লিটার করে মোট ৪০ হাজার ৫০০ লিটার জ্বালানি এসেছে।

এরপর ৬ ও ৭ এপ্রিল আরো ১৮ হাজার লিটারসহ ৫ দিনে মোট ৫৮ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল মজুদ করা হয়। কিন্তু ওই পরিমাণের পেট্রল আছে কি না ফিলিং স্টেশন ম্যানেজার মো. জলিল হোসেন রিফাতের কাছে জানতে চাইলে তিনি ৯ হাজার লিটার মজুদের কথা স্বীকার করেন। বাকি পেট্রল কোথায় আছে তিনি বলতে রাজি হননি। এ অবস্থায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে সত্যতা পেয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।

পরে তার বিরুদ্ধে গতকাল মঙ্গলবার রাতেই ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সার্টিফিকেট সহকারী আফসারুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন।

তবে এ বিষয়ে মেসার্স সোয়াদ ফিলিং স্টেশনের মালিক হাফেজ মো. আজিজুল হকের দাবি তার পাম্প থেকে প্রতিদিনই জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে। একটি চক্রের ভুল তথ্যের ভিক্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অযথা হয়রানি করেছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার