Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে জাবির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম

রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে জাবির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টা

বিজ্ঞাপন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত পুরাতন ফজিলতুন্নেছা হল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এরপর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে ওই এলাকায় দেখা গেছে। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার কার্যালয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, রাত এগারোটার দিকে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন।

এসময় অভিযুক্ত এক ব্যক্তি তার পিছে পিছে আসছিলেন। এক পর্যায়ে পুরাতন ফজিলতুন্নেছা হল সংলগ্ন সড়কে অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর কাছাকাছি আসেন। এসময় ওই শিক্ষার্থী জিজ্ঞেস করেন, তিনি ক্যাম্পাসের কি না? উত্তরে ওই ব্যক্তি বলেন,  তিনি ক্যাম্পাসের ৪৮তম ব্যাচ এবং পার্শ্ববর্তী বিশমাইল এলাকায় থাকেন। কথা শেষ করতেই কাপড় দিয়ে ভুক্তভোগীর গলা পেঁচিয়ে অন্ধকারের নিয়ে যান এবং ধর্ষণ চেষ্টা করেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কোনোমতে বের হয়ে রাস্তায় আসেন। এসময় রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী কয়েকজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীর হোসেন বলেন, ‘ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা সাজেস্ট করেছি।’

চিকিৎসাকেন্দ্রের নার্স আলমগীর হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’

ওই শিক্ষার্থীকে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় নেওয়া হয়।

রাত দুইটার দিকে নিরাপত্তা শাখা কার্যালয়ে সামনে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীসহহ কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী, প্রক্টর ও জাকসুর কয়েকজন নেতারা মিলে সিসিটিভি ফুটেজ দেখছেন। কার্যালয়ের বাইরে অন্য শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম রাশিদুল আলম বলেন, ‘খুবই ন্যক্কারজনক একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে বের করেছি তবে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পুরো ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় রয়েছে। আমরা কোনো না কোনো ফুটেজ দেখে তার পরিষ্কার ছবি পাব বলে আশা করছি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন রয়েছে অতিদ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।’

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার