বিজ্ঞাপন
নগদ নিয়ে ব্যারিস্টার আরমানকে যা জানালেন গভর্নর
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
বিজ্ঞাপন
ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবা ‘নগদ’কে ব্যক্তিখাতে দেওয়া হবে কিনা, তা নতুন সরকারের নীতির ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। সরকারের চূড়ান্ত নীতি জানা গেলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। মঙ্গলবার গভর্নরের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নগদে বিদেশি বিনিয়োগ আনার বিষয়ে চলমান আলোচনার ধারাবাহিকতায় গভর্নরের সঙ্গে এ বৈঠক করেন তিনি।
ব্যারিস্টার আরমান বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নগদ বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত নীতি এখনো নির্ধারিত হয়নি। সরকার যদি অন্তর্বর্তী সরকারের মতো এটি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের হাতে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে বিনিয়োগের পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তিনি জানান, সংসদ সদস্য হিসেবে নয়, বরং একজন পেশাদার আইনজীবী হিসেবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন তিনি। আরমান বলেন, ‘আমি একজন পেশাদার আইনজীবী। এর আগে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডেল, মাইক্রোসফট, অ্যাপল ও উবারের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমানে নগদে আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা দিচ্ছি।’
সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীরা মূলত বাংলাদেশের ডিজিটাল ব্যাংকিং খাতে আগ্রহী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই তারা বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছিলেন। সরকারের সঙ্গে আলোচনার সময় তাদের আগ্রহের বিষয়টি জানানো হয়েছিল।’
নগদে বিনিয়োগ লাভজনক হবে কিনা, তা যাচাই করতে একটি অডিট করার আগ্রহের কথাও গভর্নরকে জানিয়েছেন। বর্তমান সরকার দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে আন্তরিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, নতুন সরকারের যে সিদ্ধান্ত থাকবে সেই অনুযায়ী কাজ হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক শক্ত অবস্থানে আছে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ব্যারিস্টার আরমানের লেখা চিঠিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অডিট পরিচালনার অনুমতি চেয়ে অনুরোধ করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, ডিজিটাল আর্থিক সেবা নগদকে নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনার বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন। কিছু বিদেশি বিনিয়োগকারী এ বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এ ধরনের বিকল্প খুঁজে বের করা তার জন্য একটি সম্মান ও সুযোগের বিষয়।
বিজ্ঞাপন