বিজ্ঞাপন
জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে যে বার্তা দিল সরকার
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
বিজ্ঞাপন
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে বাজারে দ্রুত বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৪ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে নতুন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার।
ঈদের আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে কিনা এ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের অজুহাতে ঈদ যাত্রা ব্যাহত করা বা পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হবে না।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ সন্তোষজনক ও নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে। ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে বাসসহ অন্যান্য পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণে ঈদ যাত্রায় কোনো সমস্যা তৈরি হবে না। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়েরও সুযোগ নেই।
এদিকে, রবিবার (৮ মার্চ) দেশে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট এড়াতে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। নির্দিষ্ট যানের ধরন অনুযায়ী তেলের পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
কত লিটার তেল সংগ্রহ করা যাবে?
বিপিসির নির্দেশনায় বলা হয়, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নিতে পারবে।
এতে আরো বলা হয়, পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে পরিমাণ হবে ২০০ থেকে ২২০ লিটার। জ্বালানি তেল কেনার সময় রসিদ নিতে হবে এবং পরেরবার কেনার সময় সেই রসিদ দেখাতে হবে।
এর আগে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছিলেন, সোমবার (৯ মার্চ) আরো দুটি জাহাজ আসছে। তিনি বলেছেন, ‘আমি আগেও বলেছি, গতকালকেও বলেছি, আজকেও বলছি, তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নাই।
আমরা রেশনিংটা করেছি এই জন্যই যে যুদ্ধ শেষ হওয়া নিয়ে একটা অনিশ্চয়তা আছে। সে জন্য আমরা একটা রেশনিং করেছিলাম। কিন্তু মানুষ এই রেশনিংটাকে ভয় পেয়ে স্টক করা শুরু করেছে। আসলে আমাদের তেলের কোনো অভাব নাই।’
বিজ্ঞাপন