বিজ্ঞাপন
সংসদে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধন অধ্যাদেশ বিল পাস
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
বিজ্ঞাপন
‘বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২’ অধিকতর সংশোধনের লক্ষ্যে আনা ‘বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ-২০২৬’ বিলটি জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সংক্রান্ত প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি সংসদ সদস্যদের ভোটের জন্য দেন। এ সময় সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে আজ আরো ১০টির বেশি বিল পাস হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করলে সর্বসম্মতিক্রমে সেগুলো পাস হয়।
এর মধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’ এবং ‘রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করেন এবং তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘আমানত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’; ‘এক্সাইজেস অ্যান্ড সল্ট বিল, ২০২৬’; মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
উল্লেখ্য, মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে সংসদের বিশেষ কমিটি ৯৮টি অপরিবর্তিতভাবে এবং ১৫টি সংশোধনসহ পাসের সুপারিশ করেছে। বাকি ২০টির মধ্যে ৪টি বাতিল এবং ১৬টি আরো শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে আনার সুপারিশ করা হয়।
জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩টায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
মন্ত্রী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণ-অভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এ বিল উত্থাপন করেন। এ সংক্রান্ত ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে আনা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন- ২০২৬ বিল উত্থাপন করেন তিনি।
এরপর জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি সংসদ সদস্যদের ভোটের জন্য দেন।
এ সময় সংসদ সদস্যরা ‘হ্যাঁ’ বলে বিলের পক্ষে সম্মতি দেন।
বিজ্ঞাপন