Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

লন্ডনে অনলাইনে কেনাকাটা কমিয়ে আবারও দোকানে ফিরছেন সাধারণ ক্রেতারা

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:২৮ এএম

লন্ডনে অনলাইনে কেনাকাটা কমিয়ে আবারও দোকানে ফিরছেন সাধারণ ক্রেতারা

বিজ্ঞাপন

লন্ডনে অনলাইনে কেনাকাটার প্রবণতা কমে যাওয়ায় আবারও সশরীরে গিয়ে বাজার করার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। গত এক দশকে ধুঁকতে থাকা শপিং সেন্টারগুলো এখন নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। বড় বড় কোম্পানিগুলো এখন অনলাইন ব্যবসার চেয়ে শোরুম বা দোকানের পেছনে বিনিয়োগ করতে বেশি আগ্রহী। করোনাকালের মন্দা কাটিয়ে ব্রিটিশ খুচরা বাজার এখন অফিস বা শিল্প খাতের চেয়েও ভালো মুনাফা দিচ্ছে। ২০২৬ সালে এই খাতের বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

প্রপার্টি গ্রুপ নাইট ফ্রাঙ্কের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে লন্ডনে সশরীরে কেনাকাটা করা বা ফিজিক্যাল স্টোরগুলোতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর খুচরা বাজার অন্যান্য বাণিজ্যিক খাতের তুলনায় ৯ দশমিক ২ শতাংশ বেশি মুনাফা অর্জন করেছে। বিশেষ করে শপিং সেন্টার এবং ফুড স্টোরগুলো থেকে সবচেয়ে বেশি আয় আসছে।

শপিং সেন্টারগুলোকে এখন কেবল কেনাকাটার জায়গার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে না বরং ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে সেখানে জিপওয়্যার এবং ডার্টসের মতো বিনোদনের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। ল্যান্ডসেক এবং ব্রিটিশ ল্যান্ডের মতো বড় কোম্পানিগুলো এখন অফিসের পরিবর্তে শপিং মল কেনায় বেশি মন দিচ্ছে। কেন্টের ব্লুওয়াটার শপিং সেন্টারের মতো বড় মলগুলো এখন বিনোদনের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ২০২০ সালে অনলাইনে কেনাকাটার হার ৩৫ শতাংশে পৌঁছালেও বর্তমানে তা কমে ২৮ শতাংশের নিচে নেমেছে। ২০২৫ সালে এই খুচরা খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন পাউন্ড। দেশের দোকানগুলো খালি পড়ে থাকার হার এখন ১৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমেছে যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন বর্তমান পরিস্থিতিতে বিক্রয়যোগ্য প্রপার্টির সংকট তৈরি হয়েছে কারণ মালিকরা এগুলো সহজে বিক্রি করতে চাইছেন না। তারা মনে করছেন সামনে এই খাতের পারফরম্যান্স আরও ভালো হবে। আগামীর বাজার বিশ্লেষকরা আশা করছেন ২০২৬ সাল নাগাদ এই খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ গত এক দশকের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার