বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশকে দেখে ভারতের নির্বাচন কমিশনের শেখা উচিত: মমতা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে ভারতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের (ইসিআই) সমালোচনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনেকে ধারণা করেছিলেন যে সহিংসতা ঘটবে, কিন্তু ভোটগ্রহণ শান্তিতেই হয়েছে। ভারত গণতান্ত্রিক দেশ হলেও নির্বাচন কমিশনের ‘ভয় দেখানোর পদ্ধতি’ গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সচিবালয় নবান্নে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন। তবে তার এমন মন্তব্যে ‘অসাংবিধানিক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন বিজেপি নেতারা।
সম্প্রতি সাতজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে স্থগিত করার প্রসঙ্গ তুলে মমতা বলেন, ‘তাঁরা চাকরি হারাচ্ছেন না। নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু অন্য প্রশাসনিক কাজে জেলায় তাঁরা কাজ করবেন। তাঁদের বরখাস্ত করা হয়নি।’
কমিশনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘ইআরওদের (ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার) কেন স্থগিত করা হলো? তাঁদের অপরাধ কী?’
তিনি বলেন, যদি কেউ ভুল করে থাকেন, তা রাজ্য সরকারকে জানানো যেত। আমরা কমিশনের নির্দেশ ভদ্রভাবে মেনেছি। কিন্তু শাস্তি দেয়ার আগে তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তাকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন এবং তারা দিনরাত পরিশ্রম করেছেন।
এদিকে, মমতার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন আসানসোলের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, ‘বাংলার সীমান্তবর্তী এলাকায় জামায়াতের জয় দেখে মমতা খুশি। বাংলাদেশের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তিনি উচ্ছ্বসিত, কারণ তিনি জামায়াতের ‘বি-টিম’ চালাচ্ছেন।’
অগ্নিমিত্রা আরও যোগ করেন, নির্বাচন কমিশনকে ‘তুঘলকি’ বলা অসমর্থনীয়। অসন্তুষ্টি থাকলে আদালতে যাওয়া উচিত।
বিজেপির সংসদ সদস্য সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে যে এসআইআর (সিলেকটিভ আইডেনটিফিকেশন রেজিস্ট্রেশন) একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া এবং নিয়মিতভাবে তা পরিচালিত হয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের পরাজয় ঢাকতে অনুপ্রবেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
বিজ্ঞাপন