Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

পরকীয়ার সন্দেহে শিক্ষক স্বামীকে প্রকাশ্যে পেটালেন স্ত্রী

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম

পরকীয়ার সন্দেহে শিক্ষক স্বামীকে প্রকাশ্যে পেটালেন স্ত্রী

বিজ্ঞাপন

স্বামী পরকীয়া করছেন, এমন সন্দেহে তাকে প্রকাশ্যে মারধর করেছেন এক নারী। ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের সীতাপুরে ব্যস্ত এক মোড়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় মুহূর্তেই ভিড় জমে যায় এবং উপস্থিত লোকজনের কেউ কেউ সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। খবর ইন্ডিয়া টুডে

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বোরকা পরা ওই নারী প্রথমে বেশ কিছুক্ষণ স্বামীকে অনুসরণ ও পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর তার কাছে গিয়ে একের পর এক চড় মারতে থাকেন এবং বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকেন। প্রকাশ্য রাস্তায় এমন ঘটনা দেখে আশপাশের মানুষ বিস্মিত হয়ে যান।

ভুক্তভোগী ওই নারীর সন্দেহ ছিল, পেশায় শিক্ষক তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। বিষয়টি নিজে দেখার পর তিনি সরাসরি স্বামীর মুখোমুখি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি তার স্বামীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ তুলেছেন বলেও জানা গেছে।

ঘটনার সময় আশপাশের লোক জড়ো হয়ে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। এতে সেখানে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিড় ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

অভিযুক্ত ওই স্বামীর নাম অজয় নাগর। তিনি উত্তর প্রদেশের ফিরোজাবাদ জেলার টোপা কালানের বাসিন্দা। সীতাপুরের তামবাউর এলাকার দাতুনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে তিনি কর্মরত রয়েছেন।

তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার স্কুল শেষে অন্য যাত্রীদের সঙ্গে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন অজয় নাগর। সুমলি স্কুলের কাছে গাড়ি থামতেই বোরকা পরা এক নারী তার ওপর হামলা চালান এবং গাড়ির কাচ ভেঙে দেন বলে জানা যায়। পরে তিনি বোরকা খুললে উপস্থিত লোকজন বুঝতে পারেন, তিনি ওই শিক্ষকের স্ত্রী।

এই ঘটনায় পরিবারের অন্য সদস্যরাও জড়িয়ে পড়েন। সেখানে উপস্থিত অজয় নাগরের মা ও মেয়ে ওই নারীর সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ান, ফলে পরিস্থিতি আরও বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে অজয় নাগর থানায় একটি আবেদন জমা দেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনাটির কারণ ছিল পারিবারিক বিরোধ। আবেদনে বলা হয়েছে, দাম্পত্য কলহের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আবেদনে উত্থাপিত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেনি।

তবে ভাইরাল এই ভিডিওটি স্থানীয় বাসিন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এমন অবস্থায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি তদন্তে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার