বিজ্ঞাপন
বিজয়ের শপথের দিনে তৃষাকে পরজীবী বললেন সুচিত্রা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
বিজ্ঞাপন
তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সর্বাধিক আসন পেয়েছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়। তার দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) ১০৮ আসনে জয় পেয়েছে। কিন্তু এককভাবে সরকার গঠনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় শুরু হয় আরেক রাজনীতি। এরপর চলে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপড়েন, ঠিক যেন সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়ে দেয়। টানা পাঁচ দিনের জল্পনা এবং নাটকীয় পটপরিবর্তনের পর অবশেষে রোববার (১০ মে) তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয়। আর অভিনেতার এই বিশেষ দিনে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত হন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। এবার অভিনেত্রীকে ইঙ্গিত করে কটাক্ষ করলেন দক্ষিণী সংগীতশিল্পী সুচিত্রা।
মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিচ্ছেন বিজয় থালাপতি বিজয়। নিচে খুশিতে ডগমগ তৃষা কৃষ্ণান। আজ তার বিশেষ সাজ, তাকেই কটাক্ষে বিঁধলেন এ গায়িকা। তিনি তৃষা কৃষ্ণানকে একেবারেই পছন্দ করেন না বলে জানান সুচিত্রা! তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রীর আলোচিত ‘প্রেমিকা’কে কটাক্ষ করলেন ‘পরজীবী’ বলে।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে নিজের মতামত দিয়ে গিয়ে সুচিত্রা বলেন, 'আমি তৃষাকে একেবারেই পছন্দ করি না। আমি এটা প্রকাশ্যেই বলব এবং আমার এই বক্তব্য কোনোভাবেই প্রভাবিত হবে না। আমি বিজয়কে খুব পছন্দ করি। আমি কোনো পক্ষ না নিয়ে সততার সঙ্গে আমার মতামত জানালাম।'
প্রসঙ্গত, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ‘বিজয় ঝড়’-এ বিপর্যস্ত তামিলনাড়ুর বাকি রাজনৈতিক দল। রোববার (১০ মে) সকালে চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ নেন দক্ষিণী তারকা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃষা কৃষ্ণান। তার স্নিগ্ধ সাজ এ দিন সবার নজর কেড়েছে। এরপরেই তৃষাকে ‘পরজীবী’ বলেছেন সুচিত্রা।
এ সংগীতশিল্পী বলেন, সফল মানুষেরা যখন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন, তখন তাদের জীবনে পরজীবীদের প্রবেশের প্রবণতা দেখা যায়। বিজয় তার মা-বাবা এবং স্ত্রীর থেকে দূরে সরে গিয়ে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। তিনি একা— এমন পরিস্থিতিতে রাজনীতিতে এসেছেন। এখন অন্য কারও থেকে তার বেশি প্রয়োজন তার বাবা চন্দ্রশেখরকে। যিনি তাকে রাজনৈতিক পথে সঠিকভাবে চালিত করতে পারবেন। বাবাকে পাশে না পেলে, তার পরামর্শ না নিলে, বিজয় রাজনীতিতে কিছুই অর্জন করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন সংগীতশিল্পী সুচিত্রা।