বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
রমজান মাসে রোজা রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর প্রতি আত্মসংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নেকি অর্জন। দিনের দীর্ঘ সময় খাদ্য ও পানীয়ের ত্যাগ করার পর ইফতারের সময় একজন মুসলিমের জন্য আত্মিক আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার মুহূর্ত। এই সময়ে ইফতারের বিশেষ দোয়া পাঠ করা মহান বরকতের অংশ।
ইফতারসহ যে কোনো খাওয়া-দাওয়ার শুরুতে ‘بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ - বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বা ‘بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَىٰ بَرَكَةِ اللَّهِ - বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহ’ পড়া সুন্নত। তাই ইফতার শুরু করতে হবে বিসমিল্লিাহ পড়ে। তারপর হাদিসে বর্ণিত ইফতারের দোয়াগুলো পড়া।
তাই এভাবে ইফতারের দোয়া বলা যেতে পারে—
بِسْمِ اللَّهِ - اَللهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلىٰ رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ
উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিযকিকা আফতারতু।’
অর্থ: আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ! আমি আপনার উদ্দেশ্যেই রোজা রেখেছি এবং আপনার দেয়া রিজিক দিয়েই ইফতার করেছি।
১. নবীজি (সা.) ইফতারের সময় এই দোয়াটি পড়তেন—
اَللهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلىٰ رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিযকিকা আফতারতু।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার উদ্দেশ্যেই রোজা রেখেছি এবং আপনার দেয়া রিজিক দিয়েই ইফতার করেছি। (সুনানে আবু দাউদ: ২৩৫৮)
২. হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) ইফতারের সময় এই দোয়াটি পড়তেন—
اَللهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِرَحْمَتِكَ الَّتِيْ وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ أَنْ تَغْفِرَ لِيْ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিরাহমাতিকাল-লাতী ওয়াসি’তা কুল্লা শাইইন আন তাগফিরা লী।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার সেই রহমতের উসিলায় প্রার্থনা করছি সব কিছুর উপর পরিব্যপ্ত, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। (সুনানে ইবনে মাজা: ১৭৫৩)
ইফতার হল রোজার আনন্দ ও আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতার মুহূর্ত। হাদিসে বর্ণিত এই দোয়া পাঠ করা আমাদের রোজার নেকি বৃদ্ধি করে এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের একটি বরকতময় সুযোগ। তাই প্রতিদিনের ইফতারে এই দোয়া পাঠ করা অত্যন্ত সুন্নাত ও প্রিয় কাজ।
বিজ্ঞাপন