বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
অজুতে চারটি অঙ্গ ধুতে হয়। এই অঙ্গগুলো হলো, পুরো মুখ, দুই হাতের কনুই, মাথার চারভাগের এক ভাগ মাসাহ করা ও দুই পায়ের টাখনু। এই অঙ্গগুলো একবার ধোয়া ফরজ এবং তিনবার ধোয়া সুন্নত বা মুস্তাহাব। একাধিক হাদিসে অজু করার সময় প্রত্যেক অঙ্গ তিনবার ধুতে উৎসাহিত করা হয়েছে।
অজু বা গোসলের ক্ষেত্রে যেসব অঙ্গ ধোয়া ফরজ, সেই অঙ্গগুলো পর্যন্ত পানি পৌঁছানো জরুরি। এগুলোর মধ্য থেকে কোনো অঙ্গ যেন সুঁইয়ের ছিদ্র পরিমাণও শুকনো না থাকে। যদি এসব অঙ্গের কোনো স্থানে সুঁইয়ের ছিদ্র পরিমাণ জায়গাও এমন থাকে যেখানে পানি পৌঁছায়নি, তবে শরীয়তের দৃষ্টিতে সেই অজু এবং গোসল অসম্পূর্ণ।
এমন অসম্পূর্ণ অজু বা গোসল দিয়ে পড়া নামাজ আদায় হবে না। এমন অবস্থায় অজু বা গোসল করে নামাজ আদায় করলে তা কাজা হিসেবে জিম্মায় থেকে যাবে।
সুতরাং অজু ও গোসলে ধোয়া ফরজ এমন অঙ্গের কোনোটিতে যদি সুপার গ্লু বা অন্য কোনো কঠিন বস্তু লেগে থাকে যার কারণে চামড়া পর্যন্ত পানি না পৌঁছায়, তবে তা লেগে থাকা অবস্থায় অজু ও গোসল হবে না।
সুপার গ্লুর আঠাও তুলে ফেলা যায়; তাই হাতে বা নখে সুপার গ্লু লেগে থাকলে তা তুলে ফেলা জরুরি। তবে যদি চামড়ার ওপর আঠা লেগে থাকে এবং সর্বোচ্চ চেষ্টার পরেও তা সম্পূর্ণভাবে না ওঠে এবং বেশি চেষ্টা করার কারণে যদি চামড়া উঠে যাওয়া বা ক্ষত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে যতটুকু সম্ভব তুলে ফেলতে হবে এবং বাকিটুকু ক্ষমাযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে।
বিজ্ঞাপন