Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

চাকরি

কনস্টেবল নিয়োগ: ২৭০৩ পদের বিপরীতে ১ লাখ ২৬ হাজার আবেদন

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম

কনস্টেবল নিয়োগ: ২৭০৩ পদের বিপরীতে ১ লাখ ২৬ হাজার আবেদন

বিজ্ঞাপন

পুলিশ বাহিনীতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে যোগ দিতে সারা দেশ থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার তরুণ আবেদন করেছেন। মাত্র ২ হাজার ৭০৩টি শূন্য পদের বিপরীতে এই বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর অংশগ্রহণে প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ৪৭ জন। পুলিশ সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জননিরাপত্তা জোরদার এবং দীর্ঘদিনের জনবল সংকট কাটাতে সরকারের সক্রিয় উদ্যোগের ফলেই এই নিয়োগ কার্যক্রমে এত আগ্রহ দেখা গেছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থায় যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা পুনরুদ্ধার করাকে বর্তমান সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে গুরুত্ব দেন। তিনি পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানো ও বাহিনীর শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন। এরপর থেকেই জনবল বাড়াতে তৎপর হয় পুলিশ প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষিত ও দক্ষ তরুণদের অন্তর্ভুক্তি বাহিনীর ভাবমূর্তি উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন
পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন মাঠপর্যায়ে শারীরিক পরীক্ষা ও অন্যান্য ধাপের প্রস্তুতি চলছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে পুলিশের সেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

এই নিয়োগের পেছনে রয়েছে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সরাসরি নির্দেশনা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দায়িত্ব নেওয়ার পরই পুলিশের বিভিন্ন স্তরে জনবল ঘাটতির বিষয়টি সামনে আনেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এক বৈঠকে তিনি দ্রুত শূন্য পদ পূরণের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি পদেও নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়, যার আবেদন ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

এদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। কোনো ধরনের তদবির বা আর্থিক লেনদেনকে অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করার কথা জানানো হয়েছে। দালালচক্র ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। কোনো প্রার্থীর তথ্য জাল প্রমাণিত হলে তার আবেদন বাতিলের পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

বর্তমানে ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সি বিপুল সংখ্যক আবেদনকারী শারীরিক পরীক্ষা ও পরবর্তী ধাপের জন্য অপেক্ষা করছেন। প্রতিযোগিতামূলক এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যোগ্য প্রার্থীদেরই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার