Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আইন-আদালত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক নেতা কারাগারে

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক নেতা কারাগারে

বিজ্ঞাপন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদসহ ৪ জনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি তিনজন হলেন- প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথির আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এসময় আসামিপক্ষে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একইসঙ্গে জামিন শুনানির জন্য ১ মার্চ দিন ধার্য করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তারও আগে গত বছরের ২৬ জুলাই রাজধানীর গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবির ঘটনায় আসামি রাজ্জাক গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

জানা যায়, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলাটি দায়ের করেন। এতে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ২২ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিদের সঙ্গে ভুক্তভোগী নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্ব শত্রুতা ছিল।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চতুর্থ তলায় ৪১২ নং রুমে সাক্ষাৎ হলে আসামিরা তাকে তাদের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এবং কনভোকেশন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বলেন।

এই বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শ করার সময় আসামি রাজ্জাকের হুকুমে আসামি রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তার পিঠে ও বুকে আঘাত লাগে।

এরপর আসামি রাজ্জাক সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখমণ্ডলে আঘাত করেন। এতে তার নাকে লেগে নাকের উপরিভাগ কেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।

এসময় তারা এলোপাথারি মারধর করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন।

ভুক্তভোগীর বন্ধুবান্ধব ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষকরা এগিয়ে আসলে আসামিরা তাদের বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন।

পরবর্তীতে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসামিদের আটক করে নিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার