Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আইন-আদালত

আ. লীগ সরকারের প্রভাবশালী সাবেক দুই মন্ত্রী ছাড়াও সিন্ডিকেটে যারা ছিলেন

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১ পিএম

আ. লীগ সরকারের প্রভাবশালী সাবেক দুই মন্ত্রী ছাড়াও সিন্ডিকেটে যারা ছিলেন

বিজ্ঞাপন

মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর নামে হাজার হাজার কোটি টাকা চাঁদাবাজি হয়েছে। নেপথ্যে ছিল ১৫ জনের প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। গডফাদার ছিলেন সাবেক প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপেদষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী আ ফ ম মোস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামালসহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কিছু ব্যক্তি।

রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম রফিক এ বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে সব ফাঁস করে দিয়েছেন। গত ডিসেম্বরে তিনি জবানবন্দি দেন এবং এর ভিত্তিতে এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্তদের মধ্যে অন্যতম হিসাবে সম্প্রতি লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি রিমান্ডে আছেন। তিনিও রিমান্ডে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, এ বিষয়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মামলা হওয়ার পর রিক্রুটিং এজেন্সি মালিক এস এম রফিক জামিন নেন। এরপর স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। আদালতে দেওয়া জবানবন্দির কপি যুগান্তরের হাতে এসেছে। যেখানে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকের নাম উল্লেখসহ চাঞ্চল্যকর নানান তথ্য রয়েছে। 

আরও পড়ুন
ডিবি সূত্র জানায়, লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩১ মে পর্যন্ত ১০ হাজার লোক পাঠানো হয় মালয়েশিয়ায়। প্রত্যেকের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে নির্ধারিত ফি’র চেয়ে মোটা অঙ্কের অতিরিক্ত টাকা। এছাড়া বাংলাদেশে প্রায় তিন হাজার রিক্রুটিং এজেন্সি বা জনশক্তি প্রতিষ্ঠান থাকলেও সিন্ডিকেট ছিল ১০৩টি এজেন্সির। এসব এজেন্সি ছাড়া অন্য কোনো এজেন্সিকে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে দেওয়া হয়নি।

সূত্রমতে সাবেক মন্ত্রী ইমরান, সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক মন্ত্রী লোটাস কামাল ছাড়াও সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যরা হলেন- লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, আমি ওরফে দাতু আমিন, রুহুল আমিন স্বপন, সাবেক এমপি আলাউদ্দিন নাসিম, নিজাম হাজারী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, ড. মনিরুস সালেহীন ও নূর আলী প্রমুখ। এই সিন্ডিকেটের সদস্য হতে গেলে শুরুতেই দিতে হতো ১০ কোটি টাকা। এই টাকা উঠাতেন মাসুদ উদ্দিন, রুহুল আমিন স্বপন, আমিনুল ইসলাম বিন আব্দুল নুর, আবুল বাসার নুর আলী ও দাতু আমিন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার