বিজ্ঞাপন
ইলিয়াস আলী গুমের ১৪ বছর, রহস্য উন্মোচনে সুখবর দিলেন প্রসিকিউটর
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৯ এএম
বিজ্ঞাপন
২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানীর বাসার কাছ থেকে তুলে নেয়া হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলী ও তার গাড়িচালক আনসার আলীকে। এরপর থেকে তার হদিস মেলেনি। সময় যত গড়িয়েছে গল্পের ডালপালা তত ছড়িয়েছে ইলিয়াস আলীকে নিয়ে। তাকে ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দেয় পরিবারও। ৫ আগস্টের পর ইলিয়াস আলীর মামলা মোড় নেয় নতুন দিকে।
১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনে ইলিয়াস আলীর জন্য শোকপ্রস্তাব আনা হলে নিশ্চিত হয়ে যায়, তিনি আর বেঁচে নেই। এর আগে, ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক সদস্যের জবানবন্দীতে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এ ছাড়া ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদের দেয়া তথ্যের সূত্র ধরে আরেক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে জেরা করবে ট্রাইব্যুনাল। এর মাধ্যমে ইলিয়াস আলীর ভাগ্যে কী ঘটেছিল, তার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে আশা চিফ প্রসিকিউটরের।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ইলিয়াস আলী সাহেবকে যারা ফলো করেছিল, তাদের কল লিস্ট থেকে আমরা পেয়েছিলাম যে, তারা তাকে সেদিন ফলো করেছিল। আরও কিছু তথ্য আমরা পেয়েছি। ট্রাইব্যুনালে মেজর জিয়াউল আহসানের যে মামলাটি চলছে, সেই মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দীতে ইলিয়াস আলীর গুমের কিছু যোগসূত্রতা পেয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, এ মামলায় ভবিষ্যতে যারা সাক্ষ্য দিতে আসবেন, তাদের কাছ থেকেও কিছু তথ্য আমরা পাব।
কী প্রক্রিয়ায় গুম হয়েছিলেন ইলিয়াস আলী তার ব্যাখাও দিলেন তিনি। আমিনুল ইসলাম বলেন, ইলিয়াস আলী গুমের তদন্তের বিষয়ে আমরা জোরাল তৎপরতা চালাচ্ছি। একটি গঠনমূলক তদন্ত শেষে আমরা প্রকৃত ঘঠনা উদঘাটন করতে পারব।
মানবাধিকার কর্মী নূর খান বলছেন, সরকার আইনের সঠিক প্রয়োগ করলে শুধু ইলিয়াস আলী নয়, সব গুমের রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয় বলে ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন মামুন খালেদ