Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫৯ পিএম

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

বিজ্ঞাপন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দুই ধাপে আবেদন করা প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে একই দিনে। আগামী ২ জানুয়ারি দেশের সব জেলায় একযোগে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলা এই আয়োজনের বাইরে থাকবে। সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ হাজার ১৬৬টি পদের জন্য আবেদন করেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১ জন।

দুই ধাপ মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন। অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি পদের জন্য লড়াই করবেন প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী। এতে নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে তীব্র প্রতিযোগিতার চিত্রই ফুটে উঠছে।

পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু কড়া নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। প্রার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ সকাল ৯টার মধ্যে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরপর কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় নারী ও পুরুষ পরীক্ষার্থীদের আলাদাভাবে তল্লাশি করা হবে। প্রয়োজনে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা হবে। ব্লুটুথ বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্তের জন্য পরীক্ষার্থীদের উভয় কান খোলা রাখতে হবে। প্রয়োজনে টর্চলাইট ব্যবহার করেও পরীক্ষা করা হবে।

মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ, যেকোনো ধরনের ঘড়ি, পার্স, ভ্যানিটি ব্যাগ কিংবা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষাকেন্দ্রে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এসব সামগ্রী সঙ্গে পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরীক্ষার্থীদের একটি ওএমআর শিট দেওয়া হবে, যা অবশ্যই কালো বলপয়েন্ট কলম দিয়ে পূরণ করতে হবে। পেনসিল ব্যবহার করলে উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। পরীক্ষা শেষে প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র উভয়ই পরিদর্শকের কাছে জমা দিতে হবে; প্রশ্নপত্র সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।

এদিকে পরীক্ষা নির্বিঘ্ন করতে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি সার্বিকভাবে পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তা ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে কারও মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি থাকবে না। ভুয়া পরীক্ষার্থী বা অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগ পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার