বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
পে স্কেল নিয়ে কথা বলা বন্ধ করার আহ্বানকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন একাংশ কর্মচারী নেতারা। তাঁদের ভাষ্য, কথা বলার কারণেই পে কমিশন গঠন হয়েছে এবং কমিশন যখন হয়েছে, তখন নতুন পে স্কেল আজ না হোক কাল বাস্তবায়ন হবেই।
এক কর্মচারী নেতা বলেন, পে কমিশন ও সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কর্মচারীদের সরাসরি কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে যৌক্তিক দাবি তুলে ধরা এবং আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়েই এই পর্যায়ে আসা সম্ভব হয়েছে। পে স্কেল নিয়ে কথা না বলার যে দাবি তোলা হচ্ছে, সেটি বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কিছু কর্মচারী নিজেদের স্বার্থে সত্যকে আড়াল করতে চাইছেন। এই মানসিকতার কারণে ভবিষ্যতে কেউ কর্মচারীদের পক্ষে দাঁড়াতে সাহস পাবে না। নেতারা কর্মসূচি ঘোষণা করলেও বাস্তবায়ন, প্রচার ও ধারাবাহিক তদারকিতে অনেকেরই আগ্রহ নেই।
পে স্কেল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নানা ধরনের চাপ ও শাস্তির মুখে পড়ার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, আজ যারা কটূক্তি করছে, সময় এলে তাদের অবস্থানই প্রশ্নের মুখে পড়বে।
ওই কর্মচারী নেতা আরও বলেন, সরকারের ওপর তাঁদের আস্থা ও ভরসা রয়েছে। নির্বাচনের আগেই পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ হবে বলে তাঁরা আশাবাদী। সে লক্ষ্যেই নিজেদের মতো করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন