Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

হাদি হত্যায় জবানবন্দিতে উঠে এলো আসল তথ্য

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২৭ পিএম

হাদি হত্যায় জবানবন্দিতে উঠে এলো আসল তথ্য

বিজ্ঞাপন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ রাহুল দাউদ ও তার স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়াসহ আরও দুইজন-সামিয়ার ভাই ওয়াহিদ আহমেদ এবং বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা-আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুই দফায় ৯ দিনের রিমান্ড শেষে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তারা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ আদালতে তা রেকর্ড করার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ আদালতে সামিয়া ও ওয়াহিদ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন লিমার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পল্টন থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রোকনুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, গত ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তাদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ২০ ডিসেম্বর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তাদের দ্বিতীয় দফায় চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে মতিঝিল মসজিদ থেকে জুমার নামাজের পর প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন ওসমান হাদি। পথে পল্টন থানাধীন বক্স কালভার্ট রোডে তিনি চলছিলেন, তখন তাকে অনুসরণ করে আসা মোটরসাইকেলে থাকা আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ রাহুল দাউদ এবং তার সহযোগী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি চলন্ত অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি চালান।

আহত শরীফ ওসমান হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গত ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার