Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

গভীর রাতে হাদির জন্য কাঁদলেন আব্দুল হাই সাইফুল্লাহ

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৩১ পিএম

গভীর রাতে হাদির জন্য কাঁদলেন আব্দুল হাই সাইফুল্লাহ

বিজ্ঞাপন

জুলাই বিপ্লবী ও ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে ভুলতে পারছে না জনতা। সারাক্ষণই তার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। দোয়া করছে এই শহীদের জন্য।

বৃহস্পতিবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। এদিন গভীর রাতে হাদির কবরের পাশে দাঁড়িয়ে অঝোরে কাঁদতে দেখা গেল ইসলামী বক্তা মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহকে। এসময় কাঁদতে কাঁদতে ওসমান হাদির জন্য দোয়া করেন সাইফুল্লাহ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এ রকম একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ওসমান হাদির কবরের পাশে দোয়া করার সময় চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে সাইফুল্লাহর।

এর আগে বৃহস্পতিবার সারাদিনও ওসমান হাদির কবরের পাশে সাধারণ লোকজনকে দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখা যায়। অনেকে ঢাকার বাইরে দূর-দুরান্ত থেকে আসেন হাদির কবরের পাশে। এদের সবাই শহীদ হাদি ও তার পরিবারের জন্য দোয়া করেন। 

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা ওসমান হাদি পরে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ গড়ে তুলে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আলোচনায় আসেন। বিভিন্ন টেলিভিশনের টক শোতেও নিয়মিত আমন্ত্রণ পেতে থাকেন তিনি।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার মাসখানেক আগে হত্যার হুমকি পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন ওসমান হাদি। তিনি গত নভেম্বরে নিজের ফেসবুক পেজে বলেছিলেন, দেশি-বিদেশি অন্তত ৩০টি নম্বর থেকে তাকে ফোনকল করে এবং মেসেজ পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। 

১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় প্রচারে যাওয়া ওসমান হাদিকে গুলি করে মোটরসাইকেলে আসা দুই সন্ত্রাসী। রিকশায় থাকা হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর তাকে নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর দেখে সেখান থেকে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যায় সরকার। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যু হয়।

এরপর ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওসমান হাদির লাশ বাংলাদেশে আনা হয়। ২০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় লাখ লাখ জনতার অংশগ্রহণে তার জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজার পর তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে চিরসমাহিত করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার