বিজ্ঞাপন
সারাদেশে মনোনয়নে বড় পরিবর্তন, চূড়ান্ত প্রার্থী দিচ্ছে বিএনপি
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৫৩ পিএম
বিজ্ঞাপন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গে থাকা কয়েকটি আসনও দল ছেড়ে দিয়েছে।
ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এ আসনে যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামেও প্রার্থী বদল হয়েছে। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও আকবর শাহ-পাহাড়তলী আংশিক) আসনে প্রথমে মনোনয়ন পাওয়া কাজী সালাউদ্দিনের পরিবর্তে দল চূড়ান্ত করেছে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীকে। আসলাম চৌধুরী শনিবার সকালে নিজ বাড়িতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রার্থী ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাকে পরিবর্তন করে চট্টগ্রাম-১১ আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-১০ আসনে এখন মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দলের সভাপতি সাইদ আল নোমান, যিনি বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে।
যশোরে ছয়টি আসনের মধ্যে চারটিতেই প্রার্থী বদল করা হয়েছে।
যশোর-১ (শার্শা) আসনে প্রাথমিক মনোনয়ন ছিল মফিকুল হাসান তৃপ্তির। চূড়ান্তভাবে প্রার্থী করা হয়েছে শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটনকে। যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর ও বসুন্দিয়া) আসনে প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ূব। নতুন করে মনোনয়ন পেয়েছেন অভয়নগর উপজেলা কমিটির সভাপতি মতিয়ার রহমান ফারাজী। যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে প্রাথমিক প্রার্থী ছিলেন অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন। পরে জোটের শরিক মুফতি রশীদ বিন ওয়াক্কাসকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে প্রার্থী ছিলেন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন আবুল হোসেন আজাদ।
পিরোজপুর-১ (নাজিরপুর, পিরোজপুর সদর ও জিয়ানগর) আসনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন চূড়ান্ত মনোনয়ন পান। এই আসনে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারকে। প্রবীণ ও অসুস্থতার কারণে তার মনোনয়ন বাতিল করে দলীয় প্রার্থী আলমগীর হোসেনকে দেওয়া হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, মনোনয়ন পরিবর্তনের ফলে তৃপ্তি ও ক্ষোভের মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। নতুন প্রার্থীরা ইতোমধ্যে মাঠে জনসংযোগ শুরু করেছেন। দল আশা করছে, সব পরিবর্তনের পরও ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বিজ্ঞাপন