বিজ্ঞাপন
পে কমিশনের রিপোর্ট আটকে যাচ্ছে সম্মানীভাতার জন্য
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৪৪ পিএম
বিজ্ঞাপন
সরকারি পে-কমিশন ২০২৬ সালের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নতুন পে স্কেলের বাস্তবায়ন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে রয়েছে। তবে কমিশনের রিপোর্ট জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, পে কমিশন তাদের ছয় মাসের সম্মানীভাতা না উত্তোলনের আগ পর্যন্ত রিপোর্ট জমা দিচ্ছে না। এর ফলে যদি কমিশন এক মাস আগে রিপোর্ট জমা দেয়, তবে ওই মাসের সম্মানীভাতা থেকে বাদ পড়বে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রায় ২২ লক্ষ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর জন্য এটি শুধু একটি আর্থিক বিষয় নয়, বরং সম্মান ও স্বীকৃতির বিষয়। সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চেয়ে স্বল্পকালীন সম্মানী ভাতা বড় প্রাধান্য পাচ্ছে। সেই কারণেই কমিশনের রিপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়ে তারা আপাতত অপেক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য খাত ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের সময়সূচি বজায় রাখা। পে কমিশনের রিপোর্ট আটকে থাকায় নতুন পে স্কেলের কার্যক্রমে বিলম্বের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের এই অবস্থান মূলত আর্থিক স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও তা দেশের সার্বিক প্রশাসনিক কার্যকারিতাকেও প্রভাবিত করতে পারে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পে কমিশন ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলমান রয়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাপ বেড়েই চলেছে, এবং যে কোনো অমিল সরকারি খাতের কর্মসূচিতে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
বিজ্ঞাপন