বিজ্ঞাপন
প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
বিজ্ঞাপন
লায়লা আখতার ফরহাদকে বাসায় ঢুকে মারধরের মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ মামলাটির অভিযোগ গঠনের শুনানি ছিল। তবে আসামি প্রিন্স মামুন ওমরাহ হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। তার পক্ষে অ্যাডভোকেট আশিকুল ইসলাম সময় বর্ধনের আবেদন করেন। অন্যদিকে, বাদী লায়লা আখতার (ফরহাদ) আদালতে উপস্থিত হন এবং আসামির জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।
এদিন মামুনের আইনজীবী আদালতে তার জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত জামিন নাকচ করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সময়ে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরু করার আদেশ দেন আদালত। আগামী ৫ মার্চ সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।
বাদীর পক্ষে অ্যাডভোকেট সরকার সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অন্য আদালতে ধর্ষণ মামলা চলমান রয়েছে। মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য আসামি বাসায় প্রবেশ করে বাদীকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে গুরুতরভাবে আহত করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। তাই আসামির জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করছি। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হচ্ছে।
শুনানি শেষে লায়লা বলেন, আমি আদালতে ন্যায় বিচার পাচ্ছি। আমি যদি মারাও যাই এ মামলা চলবে। প্রিন্স মামুন হচ্ছে একজন কিশোর গ্যাং লিডার। সে আমাকে মামলা উঠিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রিন্স মামুনের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় লায়লার। এরপর থেকে সে লায়লার বাসায় যাতায়াত করতো। চলতি বছরের ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে লায়লার ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএস বাসায় যায় সে। তার বিরুদ্ধে করা তিন মামলা ও একটি জিডি তুলে নিতে লায়লাকে হুমকি দেয়।
লায়লা মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে লাইভে গিয়ে মামুন তাকে, তার মাকে ও সন্তানদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে লাইভ বন্ধ করে লায়লাকে মারধর করে। ছুরি দিয়ে হত্যা করতে গেলে লায়লা ছুরি ধরে ফেলে। এতে সে আহত হয়।
এ ঘটনায় লায়লা ওইদিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রিন্স মামুনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার এসআই আতিকুর রহমান সৈকত।
বিজ্ঞাপন