Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

ধর্ষণচেষ্টার এজাহারেও ১৭ উল্লেখ করেছিলেন সুরভীর মা

আমলেই নেননি তদন্ত কর্মকর্তা ওমর ফারুক

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:০৮ এএম

ধর্ষণচেষ্টার এজাহারেও ১৭ উল্লেখ করেছিলেন সুরভীর মা

বিজ্ঞাপন

চাঁদাবাজির মামলায় জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভীর বয়স জালিয়াতির ঘটনায় ইতোমধ্যেই তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন আদালত। তদন্তকারী কর্মকর্তা এস‌আই মো. ওমর ফারুক বলেছিলেন, সাংবাদিক নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের দায়ের করা এজাহার অনুযায়ী সুরভীর বয়স উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও সেখানেও এক বছর বাড়তি দেখিয়েছিলেন।

তবে একইদিনে দায়ের করা ধর্ষণচেষ্টা মামলাতেও সুরভীর বয়স ১৭ বছরই উল্লেখ করা হয়েছিল। সে মামলারও তদন্তকারী কর্মকর্তা এস‌আই ফারুক। সাংবাদিক দুর্জয়ের এজাহারে উল্লেখ থাকা ২০ বছর বাড়িয়ে ২১ করলেও সুরভীর মায়ের দাবি আমলেই নেননি তিনি।

মামলার নথিপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, গত ২৬ জানুয়ারি একই থানায় মামলা দুটি দায়ের করা হয়। এর মধ্যে দুর্জয়ে করা চাঁদাবাজির মামলার নম্বর ৩৮ এবং সুরভীর মায়ের করা ধর্ষণচেষ্টার মামলার নম্বর ৪০। উভয় মামলার এজাহারেই প্রায় একই ঘটনাপ্রবাহ উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে বিকেলে বয়স সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস‌আই ওমর ফারুক বলেছিলেন, সাংবাদিক নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের করা মামলার এজাহার অনুযায়ী প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এফ‌আই‌আর) সুরভীর বয়স উল্লেখ করেছিলেন তিনি। তবে এজাহার আর এফ‌আই‌আরে বয়সের ব্যবধানের বিষয়টি উল্লেখ করা হলে এজাহার দেখতে হবে বলেও জানান তিনি। ওই সময়ে তিনি আরও বলেন, সুরভীর জন্ম নিবন্ধনের কপি চেয়েও পাননি তিনি।

তবে উভয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হয়েও এক মামলার এজাহারে উল্লেখ থাকা বয়স আমলে নেননি কেন এ বিষয়ে জানতে পরবর্তীতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

সন্ধ্যায় কালিয়াকৈর থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, সুরভীর ধর্ষণচেষ্টা মামলার বিষয়ে জানতেন না। জেনে কথা বলবেন বললেও পরবর্তীতে তাকে আর পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, উভয় মামলা দায়ের হওয়ার পরে তিনি কালিয়াকৈর থানায় যোগ দিয়েছেন। বয়সে গড়মিল থাকলে সেটি আদালত দেখবে বলেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার