বিজ্ঞাপন
আংকেল রোজা রেখেছেন? শিশুর প্রশ্নে স্নেহময় উত্তর প্রধানমন্ত্রীর
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
বিজ্ঞাপন
সাধারণ পোশাকে জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হতেই তিনি পড়েন একঝাঁক কৌতূহলী শিশুর মাঝে। রাজধানীর নৌবাহিনী সদরদপ্তর মসজিদ প্রাঙ্গণে তখন তৈরি হয় ভিন্ন এক আবহ। কোনো প্রটোকলের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আন্তরিকতা আর স্নেহের উষ্ণতা।
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নেভি হেডকোয়ার্টার মসজিদের সামনে শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মিশে যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন রীতিমতো ভাইরাল।
মসজিদ চত্বরে প্রধানমন্ত্রীকে দেখা মাত্রই একদল শিশু-কিশোর তাকে ঘিরে ধরে। শিশুদের চোখেমুখে তখন বিস্ময় আর আনন্দ। এরই মধ্যে একজন সাহসী হয়ে প্রশ্ন করে বসলো ‘আংকেল, আপনি কি রোজা রেখেছেন?’ শিশুর এ নিষ্পাপ প্রশ্নে মুচকি হাসলেন প্রধানমন্ত্রী।
পরম মমতায় উত্তর দিলেন ‘জ্বি, আমি সবগুলো রোজা রেখেছি।’
প্রধানমন্ত্রীর উত্তর শুনে উপস্থিত শিশুদের মধ্যেও শুরু হয় রোজা রাখার গল্প। একে একে সবাই বলতে শুরু করে তারা কে কয়টি রোজা রেখেছে। এক শিশু বেশ বুক ফুলিয়ে দাবি করলো সে সবগুলো রোজা রেখেছে।
কিন্তু বিপত্তি বাধলো তার বন্ধুদের মন্তব্যে। পাশ থেকে বন্ধুরা একযোগে বলে উঠলো ‘না না, ও তো আজ সকালেই খেয়েছে, ও আজ রোজা নেই!’
বন্ধুদের এমন ‘ফাঁস’ করে দেওয়া মন্তব্যে শিশুটি কিছুটা বিব্রত হয়ে পড়লেও তারেক রহমান হাসিমুখে তাকে কাছে টেনে নেন। মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে জানতে চান আসলে সে কয়টি রোজা রেখেছে। তখন শিশুটি লাজুক কণ্ঠে স্বীকার করে ‘আজকের একটা রোজা বাদে সবগুলোই রেখেছি।’
শিশুদের এ সরলতা আর রোজা রাখার প্রচেষ্টায় মুগ্ধ হন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি শিশুদের এ ধর্মীয় অনুরাগের প্রশংসা করেন। উপস্থিত প্রতিটি শিশুর মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করে দেন তিনি। দেশের সরকার প্রধানকে এতটা কাছে পেয়ে এবং তার সঙ্গে প্রাণ খুলে কথা বলতে পেরে শিশুদের আনন্দের সীমা ছিল না।
বিজ্ঞাপন