Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে

পে স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণ জানালেন সাবেক প্রেস সচিব

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩২ পিএম

পে স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণ জানালেন সাবেক প্রেস সচিব

বিজ্ঞাপন

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নতুন বেতন কাঠামো (পে স্কেল) চালু করতে না পারার কারণ তুলে ধরেছেন বিদায়ী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণেই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি, যা তার জন্য “বড় দুঃখের বিষয়”।

শফিকুল আলম জানিয়েছেন, সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত পে-কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে সরকার সেটি কার্যকর করতে পারেনি। পরিকল্পনার কোনো ঘাটতি ছিল না; বরং অর্থ মন্ত্রণালয় এ খাতে ৩০ হাজার কোটি টাকা সংরক্ষণ করেছিল।

ফেসবুক পোস্টে সরকারি চাকরিজীবীদের নিয়ে প্রচলিত দুর্নীতির ধারণা নিয়েও কথা বলেন তিনি। এ বিষয়ে শফিকুল আলম স্পষ্টভাবে বলেছেন, আমলাতন্ত্রে ১৮ মাস কাজ করে তিনি দেখেছেন বেশিরভাগ সরকারি কর্মী সৎ, আন্তরিক এবং পরিশ্রমী।

একজন সিনিয়র সচিবের বেতনের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, মোট বেতন প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার টাকা হলেও বিভিন্ন খরচ বাদে হাতে থাকে প্রায় এক লাখ ২৬ হাজার টাকা, যা মার্কিন ডলারে প্রায় এক হাজার ডলার। ভারতের সমমানের কর্মকর্তাদের বেতন-সুবিধার তুলনায় এটি অনেক কম বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিন নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরে শফিকুল আলম। তিনি লিখেছেন, ‘সিনিয়র সচিব হিসেবে আমাকে প্রতি মাসে নিজের সঞ্চয় থেকে টাকা খরচ করতে হয়েছে শুধু একটা সাধারণ জীবন চালাতে।’ তিনি জানান, সচিবরা গাড়ি ও চালক পেলেও এর আর্থিক মূল্য মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মতো।

বিদেশ সফর প্রসঙ্গে তার দাবি, বিদেশ ভ্রমণে যে ভাতা দেওয়া হয় তা খুবই কম। আর মোট কর্মীর একটা ছোট অংশই কখনো বিদেশ যাওয়ার সুযোগ পান।

এছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে সরকারি কর্মীদের আর্থিক চাপ আরও বাড়বে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের প্রতি তার আহ্বান, আগামী বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের বেতন যথাযথভাবে বৃদ্ধি করা হোক।

শফিকুল আলমের ভাষায়, ‘দেশের সেবায় যারা কাজ করেন তাদের ভালো বেতন দেওয়া বিলাসিতা নয়, এটা এই মুহূর্তের একটা জরুরি দরকার।’

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার