বিজ্ঞাপন
এসআইকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় যুবককে থানায় আটকে রাখার অভিযোগ
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪২ এএম
বিজ্ঞাপন
বগুড়ার শেরপুর থানায় কর্তব্যরত এক নারী উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করায় এক যুবককে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে থানা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। পরে পরিবারের লোকজন গেলে মুচলেকা নিয়ে ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম নূর মোহাম্মদ মামুন। অন্যদিকে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম রোখসানা খাতুন। তিনি গত বছরের ১৯ এপ্রিল শেরপুর থানায় যোগদান করেন।
ভুক্তভোগী মামুন জানান, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তিনি থানায় যান। সেখানে ডিউটি অফিসার হিসেবে কর্মরত এসআই রোখসানাকে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করে কথা বলতে চাইলে ওই কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
মামুন অভিযোগ করেন, কোনো কারণ ছাড়াই তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং একপর্যায়ে থানায় আটকে রাখা হয়। পরে দেড় ঘণ্টা পর পরিবারের সদস্যরা থানায় গেলে মুচলেকা দিয়ে তিনি মুক্তি পান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসআই রোখসানা খাতুন এই থানায় যোগদানের পর থেকেই সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে অপেশাদার আচরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। রেজাউল করিম ও নাইম ইসলাম নামের দুই ব্যক্তি অভিযোগ করেন, কয়েক মাস আগে থানায় গেলে তারাও ওই কর্মকর্তার দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছিলেন। এমনকি ধমক দিয়ে তাদের থানা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।
ইমরান হোসেন নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে ওই কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনের কাছে তিনি মৌখিক অভিযোগ দিয়েছিলেন। এমনকি থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এসআই রোখসানার মেজাজ ও আচরণের কারণে সহকর্মীদের মধ্যেও অস্বস্তি কাজ করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, এসআই রোখসানা খাতুনের বিরুদ্ধে এর আগেও কিছু মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং এরই মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এসআই রোখসানা খাতুনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, জনবান্ধব পুলিশিংয়ের যুগে এ ধরনের আচরণ বাহিনীর ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম নূর মোহাম্মদ মামুন। অন্যদিকে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম রোখসানা খাতুন। তিনি গত বছরের ১৯ এপ্রিল শেরপুর থানায় যোগদান করেন।
ভুক্তভোগী মামুন জানান, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তিনি থানায় যান। সেখানে ডিউটি অফিসার হিসেবে কর্মরত এসআই রোখসানাকে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করে কথা বলতে চাইলে ওই কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
মামুন অভিযোগ করেন, কোনো কারণ ছাড়াই তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং একপর্যায়ে থানায় আটকে রাখা হয়। পরে দেড় ঘণ্টা পর পরিবারের সদস্যরা থানায় গেলে মুচলেকা দিয়ে তিনি মুক্তি পান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসআই রোখসানা খাতুন এই থানায় যোগদানের পর থেকেই সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে অপেশাদার আচরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। রেজাউল করিম ও নাইম ইসলাম নামের দুই ব্যক্তি অভিযোগ করেন, কয়েক মাস আগে থানায় গেলে তারাও ওই কর্মকর্তার দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছিলেন। এমনকি ধমক দিয়ে তাদের থানা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।
ইমরান হোসেন নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে ওই কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনের কাছে তিনি মৌখিক অভিযোগ দিয়েছিলেন। এমনকি থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এসআই রোখসানার মেজাজ ও আচরণের কারণে সহকর্মীদের মধ্যেও অস্বস্তি কাজ করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, এসআই রোখসানা খাতুনের বিরুদ্ধে এর আগেও কিছু মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং এরই মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এসআই রোখসানা খাতুনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, জনবান্ধব পুলিশিংয়ের যুগে এ ধরনের আচরণ বাহিনীর ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।