বিজ্ঞাপন
পে স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা, শুরু হতে পারে জুলাইয়ে
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
বিজ্ঞাপন
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল আগামী জুলাই মাস থেকে বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে। এ জন্য বাজেটে অন্তত ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার চিন্তাভাবনার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সে ক্ষেত্রে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন থেকে আংশিকভাবে এটি বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে প্রথম বছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ ও পরের অর্থবছরে বাকি অংশ দেওয়া হতে পারে। আর ২০২৮-২৯ অর্থবছরে যুক্ত হতে পারে ভাতা। সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে তিন বেতন কমিশনের প্রতিবেদন সুপারিশ প্রণয়নে পুনর্গঠিত হওয়া কমিটি।
এ কমিটির সুপারিশই আগামী পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। কমিটির মতামতের ভিত্তিতে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন গত ২১ জানুয়ারি বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেয়। তখন জানানো হয়েছিল, ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় হয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য আরও ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্যও বেতন কমিটির প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনটি প্রতিবেদনের জন্য সুপারিশ তৈরি করতে গত মাসে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।
এ কমিটিই তিন ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে বলে জানা গেছে। সূত্রগুলো বলছে জানায়, তিন ধাপে বাড়তি অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রথম বছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ দিতে বাজেটে অন্তত ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেন, ‘সচিব কমিটির সুপারিশের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আসন্ন বাজেটে এজন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হতে পারে। প্রথম ধাপে মূল বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর চিকিৎসা ভাতা থেকে শুরু করে অন্যান্য অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধি করা হবে। তবে এজন্য সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত দিতে হবে।’