বিজ্ঞাপন
তারেকের দেশে ফেরা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন মহিউদ্দিন আহমেদ
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৪ পিএম
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরতে না পারার পেছনের প্রেক্ষাপটের কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ। তার বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের রাজনীতি শুধু অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নয়, বরং আন্তর্জাতিক প্রভাবেও নির্ভরশীল-বিশেষ করে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের ওপর।
মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাইনাস টু নিয়ে যত কথা বলি না কেন, আসলে ১/১১-এ এজেন্ডা ছিল মাইনাস ফোর। এটি মূলত দুই পরিবারের ধারাবাহিক শাসনের বিরুদ্ধে নেওয়া একটি ব্যবস্থা। সেই প্রেক্ষাপটে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। এক অর্ধেক অংশে মাইনাস হয়ে গেছে-যেটি হল শেখ হাসিনা পরিবারের প্রভাব। বাকি অর্ধেকের মধ্যে খালেদা জিয়া অসুস্থতার কারণে রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয়। ফলে শুধুমাত্র তারেক রহমানই বাকি থাকলেন।’
আরও পড়ুন : তারেক রহমানের দেশে ফেরা : আইনি বাধা নিয়ে মুখ খুললেন উপদেষ্টা
তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের দেশে ফেরার অনিশ্চয়তা পুরোপুরি মাইনাস ফোর কৌশলের আওতায় গড়াবে কি না, তা কেবল সময়ই নিশ্চিত করতে পারবে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক সমীকরণের ওপর তার নির্ভরতা এখনও প্রাসঙ্গিক।
বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদের মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নেতাদের ব্যক্তিগত অবস্থানের সংযোগকে তুলে ধরছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশে ফিরে বিএনপি’র নেতৃত্বে সক্রিয় হওয়ার জন্য তারেক রহমানকে কেবল দলের অভ্যন্তরীণ সমর্থন নয়, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনাও করতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন : অবশেষে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান : জানা গেল সম্ভাব্য সময়
এ প্রসঙ্গে দেখা যাচ্ছে, বর্তমান রাজনৈতিক কাঠামো ও দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সমীকরণ মিলিয়ে, তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; এটি এখন আন্তর্জাতিক প্রভাব ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমন্বয়ে নির্ধারিত হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটের আলোকে বলা যায়, তারেক রহমানের রাজনৈতিক ফ্যাসিলিটেশন বা দেশে প্রত্যাবর্তন কবে এবং কীভাবে হবে, তা কেবল রাজনৈতিক কূটনৈতিক সমীকরণের ওপর নির্ভরশীল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের পরিস্থিতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিএনপি’র ভবিষ্যৎ কৌশলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।
বিজ্ঞাপন