বিজ্ঞাপন
জামায়াত জোটের আসন বণ্টন চূড়ান্ত! কারা পেল কত আসন
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০১ পিএম
বিজ্ঞাপন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে আসন বণ্টন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। জোট সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অধিকাংশ বিষয়ে ঐকমত্য হলেও কয়েকটি আসন নিয়ে শেষ মুহূর্তের আলোচনা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে আসন বণ্টনের ঘোষণা আসতে পারে।
সূত্র অনুযায়ী, চূড়ান্ত বণ্টনের বাইরে প্রায় ১০ শতাংশ আসন খোলা রাখার চিন্তাও রয়েছে, যেখানে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রার্থী দেওয়া হতে পারে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এ বিষয়ে জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাতে শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আরেক দফা বৈঠক হয়। আজ বুধবার কেন্দ্রীয় নেতাদের চূড়ান্ত বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।
কে পাচ্ছে কত আসন
জোটের ভেতরের প্রাথমিক সমঝোতা অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে ৪৫টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তাব পেলেও দলটি ৭০টির কম আসনে রাজি নয়। এ নিয়ে এখনো দরকষাকষি চলছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে ৩০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছে। অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি—প্রায় ১৯১টি আসনে নির্বাচন করতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
এ ছাড়া— বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১৫টি, ইসলামী ঐক্যজোট ৬টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৬টি, এবি পার্টি ২টি, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিডিপি) ২টি, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাগপা একটি করে আসন।
তবে এসব সংখ্যা এখনও চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছে জোট সংশ্লিষ্ট সূত্র।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম সম্পাদক শেখ ফজলে বারী মাসুদ বলেন, “আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে। ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।”
১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “সবকিছু ঠিক থাকলে আজ বুধবারই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।”
এর আগে সোমবার এক অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আপনারা এক–দুই দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে পারবেন। আমরা সবাই একসঙ্গে জনগণের সামনে আসব।”
জামায়াত নেতৃত্বাধীন এই জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হলে নির্বাচন-পূর্ব রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন সবার দৃষ্টি আজকের সম্ভাব্য ঘোষণার দিকে।
বিজ্ঞাপন