বিজ্ঞাপন
কেবল অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনই দেশকে স্থিতিশীল করতে পারে: জয়
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ১২:২৬ এএম
বিজ্ঞাপন
আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, কেবল একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনই দেশকে স্থিতিশীল করতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আহ্বান জানান।
জয় বলেন, নির্বাচনে কোন দলকে বাদ দেওয়া হলে তা হবে একটি প্রহসনের নির্বাচন।
জয় বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার যদি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বাংলাদেশ রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল থাকবে।
জয় বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে, নির্বাচন অবশ্যই অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অবাধ ও সুষ্ঠু হতে হবে।’
জয় এর মতে, ‘এখন যা ঘটছে তা আসলে আমার মা এবং আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত রাখার একটি প্রচেষ্টা। এটি ন্যায়বিচারের ছদ্মবেশে রাজনৈতিক কারসাজি।’
জয় বলেন, আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় না দেওয়া হলে নির্বাচনের ফলাফল দেশের জনগণ মেনে নিবে না ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা স্বীকৃতি দেবে না।’
ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দলীয় সমর্থকদের এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলে রাখা হয়েছে এবং জামিনও দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে প্রায় ৫০০ আওয়ামী লীগ কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩১ জন দলীয় কর্মী জেল হেফাজতে মারা গেছেন।
বাংলাদেশে ইসলামপন্থী দলগুলো নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বাংলাদেশ অস্থিতিশীল থাকলে ইসলামপন্থীরা লাভবান হবে।
ওয়াজেদ বলেন, দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুরা এই সরকারে প্রধান লক্ষ্যবস্তু।
সজীব ওয়াজেদ স্বীকার করেছেন যে শেখ হাসিনার সরকারের শুরুতে কিছু “ভুল” ছিল। তবে তিনি জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখিত ১,৪০০ জন নিহতের দাবি অস্বীকার করেছেন। ওয়াজেদ বলেছেন, ইউনূস সরকারের এক স্বাস্থ্য উপদেষ্টার তথ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা প্রায় ৮০০।
বিজ্ঞাপন