Logo
Logo
×

লাইফস্টাইল

কি ব্যবহার করলে কখনো বয়সের ছাপ পড়বে না, জেনে নিন

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২৫, ০১:১৮ পিএম

কি ব্যবহার করলে কখনো বয়সের ছাপ পড়বে না, জেনে নিন

কেবল ঘি রান্নাতেই ব্যবহার হয় না, ত্বকের পরিচর্যাতেও ভীষণ কাজে লাগে। আর  মুখে ঘি মাখলে ত্বকের জেল্লা ফিরে পাবেন। ফেসপ্যাক থেকে বডি লোশন সবকিছুতেই ব্যবহার করা হচ্ছে ঘি। এখন রূপচর্চায় প্রতিদিনের রুটিনেও ঘির কদর বেড়েছে অনেক বেশি। আর আপনি যদি ঘিয়ের ব্যবহার করেন, তবে ত্বকের হারানো জেল্লা ফিরে পাবেন, তাতে আপনার বয়সের ছাপও পড়বে না।

কম বয়সিদের মধ্যেও এখন ঘি দিয়ে রূপচর্চা করার নতুন ট্রেন্ড চালু হয়েছে। দামি ক্রিম কিংবা ফেসপ্যাকের বদলে ঘরেই ঘি দিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে ব্যবহার করুন। কারণ ঘিয়ে থাকে ভিটামিন 'এ', 'ডি' ও 'ই', যা ত্বকের জন্য ভালো। 

কারণ এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা আপনার ত্বকের যে কোনো সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে। ঘি যদি নিয়ম মেনে মাখা যায়, তাহলে সেটি প্রাকৃতিক 'অ্যান্টি-এজিং' উপাদান হিসেবেও কাজ করে থাকে। আর আপনার ত্বকের বলিরেখা দূর করতে পারে। তবে রূপচর্চায় ঘি ব্যবহারের নিয়ম আছে। 

চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে ঘি ব্যবহার করে বয়সের ছাপ দূর করবেন—

ফেসপ্যাক

আধাচামচ ঘির সঙ্গে এক চামচ বেসন ও সামান্য দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। গোসলের আগে ভালো করে মুখে মালিশ করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর সামান্য গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলেই আপনার দাগছোপ ও বলিরেখার সমস্যা দূর হবে।

র‌্যাশের সমস্যা দূর

ঘি খুব ভালো স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ঘির সঙ্গে চিনি, লেবুর রস, হলুদ ও বেকিং পাউডার মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করলে ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। এতে উন্মুক্ত রন্ধ্রের সমস্যা দূর হবে। সেই সঙ্গে ব্রণ ও ফুসকুড়ির সমস্যাও কমে যাবে।

চোখের নিচে কালি

এক চামচ ঘির সঙ্গে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মেশান। এরপর সেই মিশ্রণ চোখের নিচে লাগিয়ে রাখুন। সারারাত রেখে পরদিন সকালে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এভাবে এক সপ্তাহ করলে আপনার চোখের নিচের কালি দাগ দূর হয়ে যাবে। 

ময়েশ্চারাইজার

প্রতিদিন রাতে শোবার আগে হাতে ২-৩ ফোঁটা খাঁটি ঘি নিন। এরপর বৃত্তাকার গতিতে মুখে মালিশ করুন। মিনিট ১৫ রেখে সামান্য গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের আর্দ্রতা জোগায়, রুক্ষতা দূর করে এবং সকালে ত্বক অনেক বেশি নরম, মসৃণ ও সতেজ দেখায়।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার